প্রশ্নের বর্ণনা

a নয়নচারা
b উজানে মৃত্যু
c কাঁদো নদী কাঁদো
d সুড়ঙ্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাঁদো নদী কাঁদো ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবর্তক। তার রচিত বিখ্যাত উপন্যাস কাঁদো নদী কাঁদো মানুষের অসহায়ত্ব ও নদীর সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্ক তুলে ধরে। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি মানুষের জীবনের নিঃসঙ্গতা এবং পারিপার্শ্বিকতার নির্মম বাস্তবতাকে শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। তার উপন্যাসে সামাজিক গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং মানুষের অবচেতন মনের গভীর বিশ্লেষণ দেখা যায়। - কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার সাহিত্যকীর্তির অন্যতম সেরা এবং শেষ উপন্যাস হিসেবে পরিগণিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা ও শোষণের চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: চাঁদের অমাবস্যা ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে অপরাধবোধ ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়নচারা — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। B) উজানে মৃত্যু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কোনো রচিত গ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) সুড়ঙ্গ — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কোনো উপন্যাস বা গ্রন্থ নয়, এটি অন্য লেখকের কাজ বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রধান উপন্যাস তিনটি হলো লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো। এই তিনটি নাম মনে রাখলে তার উপন্যাসের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস এবং ছোটগল্পের নাম প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়। লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাস তিনটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0