প্রশ্নের বর্ণনা

a বহ্নিপীর
b কেরামত মাওলা
c নয়া খান্দান
d কিত্তন খোলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বহ্নিপীর ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা নাট্যসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ও প্রতীকী নাটকের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং 'বহ্নিপীর' তাঁর অন্যতম একটি বিখ্যাত নাটক। - এই নাটকে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে মানুষের অন্ধবিশ্বাসের স্বরূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার যিনি মূলত উপন্যাসের জন্যই বেশি বিখ্যাত। - তাঁর রচিত বিখ্যাত অন্যান্য নাটকের মধ্যে 'বহ্নিপীর' ছাড়াও 'তরঙ্গভঙ্গ' এবং 'সুঙ্গ সুরঙ্গ' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লালসালু' ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস যার মূল বিষয়বস্তু গ্রামীণ সমাজে ধর্মের নামে প্রতারণা। উদাহরণ ২: 'চাঁদের অমাবস্যা' ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা অপরাধবোধ ও নৈতিকতার দ্বন্দ্বে আবর্তিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহ্নিপীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচনা করেছেন। B) কেরামত মাওলা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক নয়, বরং এটি বিশিষ্ট নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর একটি বিখ্যাত নাটক। C) নয়া খান্দান — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক নয়, এটি নাট্যকার সাঈদ আহমদের লেখা একটি জনপ্রিয় নাটক। D) কিত্তন খোলা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক নয়, এই নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার সেলিম আল দীন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটকের সংখ্যা কম, তাই নাটকগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। - তাঁর রচিত প্রধান নাটকগুলো হলো 'বহ্নিপীর', 'তরঙ্গভঙ্গ' এবং 'সুঙ্গ সুরঙ্গ'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস এবং নাটকের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় তাঁর উপন্যাস ও নাটকের তালিকা আলাদা করে নোট করে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই কার্যকর।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0