প্রশ্নের বর্ণনা

a সামাজিক
b আত্মজৈবনিক
c মনোসমীক্ষণমূলক
d রূপক
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মনোসমীক্ষণমূলক ১. কেন সঠিক: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, অপরাধবোধ এবং নৈতিক দ্বন্দ্ব গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আরেফ একজন শিক্ষক ও গ্রামীণ সমাজের নৈতিক মানদণ্ডের প্রতিনিধি, যিনি এক রাতে এক তরুণীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর আকস্মিক ঘটনা এবং নিজের অবদমিত প্রবৃত্তি নিয়ে তীব্র মানসিক দ্বন্দ্বে ভোগেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান রূপকার ও মনোসমীক্ষণ ধারার পথিকৃৎ। তাঁর উপন্যাসগুলোতে সমাজবাস্তবতার চেয়ে ব্যক্তির অবচেতন মন, অস্তিত্বের সংকট এবং অপরাধবোধ প্রধান হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' ব্যাখ্যা: এটি সমাজের অন্ধবিশ্বাস ও ধর্মীয় শোষণের চিত্র তুলে ধরলেও এর মূল চরিত্র মজিদের মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্বের সংকট ফুটিয়ে তুলেছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'কাঁদো নদী কাঁদো' ব্যাখ্যা: এটিও একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যেখানে মুহাম্মদ মুস্তফার একাকীত্ব ও নিঃসঙ্গতা এবং নদীকেন্দ্রিক মানসিক দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক — এই উপন্যাসে সামগ্রিক সমাজচিত্র বা সমাজসংস্কারের চেয়ে একক ব্যক্তির মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। B) আত্মজৈবনিক — এটি লেখকের নিজের জীবনের কোনো ঘটনা বা আত্মজীবনীমূলক রচনা নয়, সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মনস্তাত্ত্বিক শিল্পকর্ম। D) রূপক — রূপক উপন্যাসে অবয়বের অন্তরালে অন্য কোনো অর্থ থাকে, কিন্তু চাঁদের অমাবস্যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মানুষের মনস্তত্ত্বকে ধারণ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস মানেই মানুষের মনের গভীরের জটিলতা। চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের নামটির মধ্যেই যেন মনের অন্ধকার জগতের ইঙ্গিত রয়েছে, তাই এটি মনোসমীক্ষণমূলক উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের ধরন খুব ঘন ঘন আসে। মনে রাখবে তাঁর 'লালসালু' সামাজিক হলেও 'চাঁদের অমাবস্যা' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' মূলত মনোসমীক্ষণমূলক উপন্যাস।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0