প্রশ্নের বর্ণনা

a নজিবুর রহমান
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c গোলাম মোস্তফা
d জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'বহিপীর' হলো বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নাটক। - এই নাটকে পীর প্রথার অন্তরালে সমাজে চলমান শোষণ, ধর্মান্ধতা এবং নারীর পরাধীনতার চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের এক অন্যতম প্রধান স্থপতি ও মননশীল লেখক। - ১৯৫০ সালে প্রকাশিত 'বহিপীর' নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে আধুনিকতার এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'লালসালু'। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা ও মোড়লতন্ত্রের ওপর ভিত্তি করে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি ক্লাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত আরেকটি জনপ্রিয় নাটক 'তরঙ্গিণীর দুতি'। ব্যাখ্যা: এই নাটকটিতেও লেখকের গভীর সমাজচেতনা এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নজিবুর রহমান — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের ঔপন্যাসিক হলেও 'বহিপীর' নাটকটির রচিয়তা নন। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের মূল রচিয়তা হিসেবে পরীক্ষিত সত্য। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত কবি ও অনুবাদক হিসেবে পরিচিত, নাটক রচনায় তার প্রধান খ্যাতি নেই। D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং তার প্রধান ক্ষেত্র কবিতা ও নকশিকাথা হলেও এটি তার নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ালীউল্লাহর নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'বহিপীর' ও 'তরঙ্গিণীর দুতি' দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখা। - পীর প্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নাটক বললেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাম এবং 'বহিপীর' নাটকটির কথা স্মরণ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস ও নাটকের প্রকাশকাল ও চরিত্র প্রায়ই আসে। - 'বহিপীর' নাটকের চরিত্র যেমন তাহেরা, হাশেম ও পীর সাহেব চরিত্রগুলোর নাম মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0