প্রশ্নের বর্ণনা

a আবুল মনসুর আহমদ
b আবু জাফর শামসুদ্দীন
c সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
d শওকত ওসমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কেন সঠিক: ১. চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক সৃষ্টি। ২. এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক মানুষের অপরাধবোধ এবং বিবেکی দংশনের এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা উপন্যাসে অস্তিত্ববাদ এবং মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবর্তন ও সার্থক রূপায়ন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ২. চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরিফ নামের এক শিক্ষকের নৈতিক দ্বন্দ্ব ও অপরাধবোধের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. তাঁর রচিত লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসগুলোর মতো চাঁদের অমাবস্যাও বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী ক্লাসিক হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল মনসুর আহমদ — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যাঙ্গাত্মক রচনার জন্য পরিচিত, তাই এই উপন্যাসটি তাঁর নয়। B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি সামাজিক ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য খ্যাত হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং তিনি এই উপন্যাসের একমাত্র রচয়িতা। D) শওকত ওসমান — তিনি পরাধীনতা ও সমাজবাস্তবতা নিয়ে কৃর্তদাস ও জলাঙ্গী উপন্যাস লিখলেও এটি তাঁর সৃষ্টি নয়। মনে রাখার টিপস: ১. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর মাত্র তিনটি প্রধান উপন্যাস রয়েছে এবং সেগুলোর নাম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো। ২. চাঁদের অমাবস্যা শব্দটি দেখলেই মনে রাখতে হবে এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নৈতিক দ্বন্দ্বের এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0