প্রশ্নের বর্ণনা

a মুনীর চৌধুরী
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'কাঁদো নদী কাঁদো' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি অত্যন্ত প্রশংসিত প্রতীকী উপন্যাস। - এই উপন্যাসে মানুষের অস্তিত্বের সংকট, নদীমাতৃক বাংলার মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা অত্যন্ত গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। - তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে 'লালসালু', 'চাঁদের অমাবস্যা' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' বাংলা সাহিত্যে ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লালসালু' ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত গ্রামীণ সমাজজীবনের অন্ধবিশ্বাস ও শোষণের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'বহিপীর' ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নাটক, যেখানে সমাজ সংস্কারের বাণী প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ছিলেন, তাঁর বিখ্যাত নাটক 'কবর'। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা মনোস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের বরপুত্র, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'পদ্মা নদীর মাঝি' ও 'পুতুল নাচের ইতিকথা'। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'সংশপ্তক'। D) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — সঠিক উত্তর, কারণ 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটি এঁরই অমর সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - নদীর জল দিয়ে ওয়ালীউল্লাহর কান্নার প্রতীক মনে রাখতে পারো যে, নদী নিয়ে উপন্যাস লিখেছেন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস সংখ্যা কম হলেও এর গভীরতা অনেক বেশি, যার মধ্যে 'কাঁদো নদী কাঁদো' অন্যতম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস ও নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর উপন্যাসের নাম এবং চরিত্রগুলো খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে কারণ এখান থেকে চরিত্রভিত্তিক প্রশ্নও হয়ে থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0