প্রশ্নের বর্ণনা

a গ্রাম বাংলার সমাজের অশিক্ষা-কুশিক্ষা
b চাষী জীবনের করুণ চিত্র
c হাওড় অঞ্চলের মানুষের দুঃখের জীবন
d কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্রাম বাংলার সমাজের অশিক্ষা-কুশিক্ষা ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো গ্রামীণ সমাজের মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে ধর্মের নামে কুসংস্কার, অশিক্ষা এবং শোষণের চিত্র। - উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ মূলত ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে গ্রামীণ সমাজে নিজের আধিপত্য বিস্তার করে এবং সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নেয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক উপন্যাস, যেখানে গ্রামীণ জনপদের অন্ধবিশ্বাস গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও লেখকের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা মানুষের অস্তিত্বের সংকট তুলে ধরে। উদাহরণ ২: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ জেলে জীবনের দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের এক অনবদ্য দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রাম বাংলার সমাজের অশিক্ষা-কুশিক্ষা — এটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো ধর্মীয় কুসংস্কার ও অজ্ঞতা। B) চাষী জীবনের করুণ চিত্র — এটি আংশিক সত্যি মনে হলেও লালসালুর মূল ফোকাস নিছক চাষী জীবন নয়, বরং ধর্মভিত্তিক শোষণ। C) হাওড় অঞ্চলের মানুষের দুঃখের জীবন — এই উপন্যাসের পটভূমি মহব্বতনগর গ্রাম, কোনো নির্দিষ্ট হাওড় অঞ্চলের মানুষের দুঃখ এখানে মুখ্য নয়। D) কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন — এটি মূলত কৃষকদের অর্থনৈতিক সংগ্রামের গল্প নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক শোষণের চিত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - লালসালু উপন্যাস মানেই মজিদের ধর্মীয় প্রতারণা এবং সমাজের অশিক্ষা ও কুসংস্কারের চিত্র। - ওয়ালীউল্লাহর প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ এই উপন্যাসের সাল ১৯৪৮ সাল ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'লালসালু' উপন্যাসের প্রকাশকাল এবং এর মূল চরিত্র মজিদ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সমাজের কুসংস্কারভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রশ্ন আসলে লেখকের নাম ও উপজীব্য বিষয় ভালোভাবে মিলিয়ে উত্তর করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0