প্রশ্নের বর্ণনা

a 1943
b 1948
c 1951
d 1970
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৮ ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস লালসালু মূলত ১৯৪৮ সালে রচিত হয়েছিল। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা ফুটিয়ে তোলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। - এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে এবং এর পটভূমি হলো তৎকালীন গ্রামীণ বাংলার সমাজব্যবস্থা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের তৃতীয় ও অত্যন্ত প্রশংসিত উপন্যাস যা ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৩ — এই সালে লালসালু রচিত বা প্রকাশিত হয়নি এবং এটি দুর্ভিক্ষের পটভূমি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) ১৯৪৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে উপন্যাসটির রচনা সম্পন্ন হয়েছিল। C) ১৯৫১ — এটি ভুল কারণ উপন্যাসটি ১৯৫১ সালে রচিত হয়নি বরং এর আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। D) ১৯৭০ — এই সালে উপন্যাসটির কোনো সম্পর্ক নেই এবং লেখক ১৯৭৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - লালসালু উপন্যাসের রচনার বছর মনে রাখতে মনে রাখুন ওয়ালীউল্লাহ দেশভাগের ঠিক পরের বছর ১৯৪৮ সালে এটি রচনা শেষ করেন। - সালভিত্তিক প্রশ্ন মনে রাখতে লেখকের জন্ম ও রচনার সময়কাল মিলিয়ে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের রচনাকাল এবং প্রথম প্রকাশের সাল আলাদাভাবে মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। - এই উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদ নিজেই করেছিলেন লেখক যার নাম Tree Without Roots।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0