প্রশ্নের বর্ণনা

a তালিম হোসেন
b ফররুখ আহমদ
c গোলাম মোস্তফা
d আবুল হোসেন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - ‘সিরাজাম মুনীরা’ বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা কবি ফররুখ আহমদ। - ‘সিরাজাম মুনীরা’ শব্দের অর্থ প্রদীপ্ত প্রদীপ বা জ্ঞানের আলো, যা মূলত মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনের ওপর রচিত একটি মহাকাব্যিক ও প্রশংসামূলক কাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যের মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি ইসলামী ঐতিহ্যের ভাবনায় সমৃদ্ধ কাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত। - ১৯৫২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির ইসলামি চেতনা এবং কাব্যপ্রতিভার অনন্য প্রকাশ ঘটেছে, যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাত সাগরের মাঝি ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদ রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা সামুদ্রিক প্রতীক ও মুসলিম ঐতিহ্যের ভাবনায় সমৃদ্ধ। উদাহরণ ২: মুহূর্তের কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও কবি ফররুখ আহমদ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তার কবিত্বের অন্য এক রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তালিম হোসেন — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক হলেও ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যটি তার লেখা নয়। B) ফররুখ আহমদ — এটি সঠিক উত্তর। C) গোলাম মোস্তফা — ইনি ‘বিশ্বনদী’ ও ‘বনী আদম’ কাব্য রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই কাব্যটির রচয়িতা নন। D) আবুল হোসেন — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এই ইসলামি ভাবধারার কাব্যের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ‘সিরাজাম মুনীরা’ মানে আলোর প্রদীপ, আর মুসলিম রেনেসাঁসের কবি ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যে কাব্যিক আলো ছড়িয়েছেন। - এভাবে কবির নামের সাথে কাব্যগ্রন্থটির বিষয়বস্তু মিলিয়ে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম রেনেসাঁস ও ইসলামী ঐতিহ্যের কবিতা এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ফররুখ আহমদের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো যেমন সাত সাগরের মাঝি এবং সিরাজাম মুনীরা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0