প্রশ্নের বর্ণনা

a মহাকবি
b গীতিকবি
c পল্লীকবি
d ছন্দের কবি
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গীতিকবি ১. কেন সঠিক: - বেগম সুফিয়া কামাল মূলত তাঁর কবিতায় ব্যক্তিগত আবেগ, অনুভূতি, নারী অধিকার এবং স্বাধিকার আন্দোলনের সুর ফুটিয়ে তুলেছেন। - ব্যক্তিগত সুখ, দুঃখ, প্রেম এবং আত্মিক উপলব্ধির প্রকাশ কবিতায় প্রধান হওয়ায় তাঁকে একজন সার্থক গীতিকবি হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। - তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়া ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়, যার ভূমিকা লিখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা তাঁকে পরিচিতি এনে দেয়। উদাহরণ ২: মায়ার খেলা বা উদাত্ত পৃথিবী। ব্যাখ্যা: এগুলি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর গীতিকবিতার অনন্য বৈশিষ্ট্য বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকবি — মহাকবি বলা হয় তাঁদের যাঁরা বিশাল আকৃতির মহাকাব্য রচনা করেন, যেমন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। বেগম সুফিয়া কামাল মহাকাব্য রচনা করেননি। B) গীতিকবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাঁর কবিতায় ব্যক্তিগত ভাবের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। C) পল্লীকবি — পল্লীকবি হিসেবে জসীমউদ্দীনের নাম বিশেষভাবে পরিচিত যিনি পল্লী প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। D) ছন্দের কবি — ছন্দের কবি হিসেবে সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বিশেষভাবে পরিচিত যিনি ছন্দের জাদুকর নামে খ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের মন ছিল কোমল ও আবেগময়, তাই তিনি গীতিকবি। - তাঁর প্রথম কাব্য সাঁঝের মায়ার মাধ্যমেই তাঁর গীতিকবি সত্তার পূর্ণ প্রকাশ ঘটেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেগম সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়ার প্রকাশকাল ১৯৩৮ সাল। - তাঁকে জননী সাহসিকা উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0