প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯৩৬ সালে
b ১৯১৩ সালে
c ১৯২৬ সালে
d ১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৩৬ সালে ১. কেন সঠিক: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'পদ্মানদীর মাঝি' প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলের জীবন, তাদের সংগ্রাম এবং বাস্তবসম্মত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও মনোস্তাত্ত্বিক ঔপন্যাসিক। তাঁর এই উপন্যাসে আবহমান বাংলার পদ্মাপাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা অত্যন্ত নিখুঁত ও বাস্তবধর্মীভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুতুলনাচের ইতিককথা ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯৩৬ সালেই প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা ১৯৩৫ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসটি এই সালেই প্রকাশিত হয়। B) ১৯১৩ সালে — এই সালে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম হয়, তাঁর কোনো বিখ্যাত উপন্যাস এই সালে প্রকাশিত হয়নি। C) ১৯২৬ সালে — এই সালটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৪৬ সালে — এই সালে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রগতিশীল চেতনার উপন্যাস 'চিহ্ন' বা অন্য কোনো রচনা প্রকাশিত হতে পারে, কিন্তু পদ্মানদীর মাঝি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস 'পদ্মানদীর মাঝি' এবং 'পতুলনাচের ইতিককথা' একই বছর অর্থাৎ ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই তথ্যটি মনে রাখলে সালভিত্তিক প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫) এবং পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬) এর প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনকাল এবং তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0