প্রশ্নের বর্ণনা

a দিল্লী
b লাহোর
c তেহরান
d কাবুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাবুল ১. কেন সঠিক: সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী 'দেশে বিদেশে' গ্রন্থে মূলত আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের সমাজ, রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। লেখক ১৯২৬ সালে আফগানিস্তানে প্রবাসকালীন সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, কাবুলের আবহাওয়া এবং আফগান সংস্কৃতির নানামুখী চিত্র অত্যন্ত রসালো ভাষায় এই গ্রন্থে তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণকাহিনি হিসেবে স্বীকৃত এবং এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। সৈয়দ মুজতবা আলী ছদ্মনাম সত্যপীর ব্যবহার করে বিভিন্ন রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনি লিখে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ মুজতবা আলীর 'পাচালী' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম বিখ্যাত রম্যরচনা সংকলন যা তার স্বতন্ত্র গদ্যশৈলী ও রসবোধের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: সৈয়দ মুজতবা আলীর 'শবনম' ব্যাখ্যা: এটি তার রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস যা রোমান্টিক ধারার সাহিত্যের এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং সৈয়দ মুজতবা আলীর 'দেশে বিদেশে' গ্রন্থের মূল কাহিনীর সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। B) লাহোর — এটি পাকিস্তানের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা এই ভ্রমণকাহিনির প্রধান পটভূমি বা কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু ছিল না। C) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী, যদিও লেখক মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন কিন্তু এই গ্রন্থের মূল শহর কাবুল। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণকাহিনি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন মুজতবা মানেই বিদেশ ভ্রমণ এবং তার সবচেয়ে বিখ্যাত বিদেশ হলো কাবুলের দিনগুলো। 'দেশে বিদেশে' বইটির নাম দেখলেই মনে রাখবেন লেখক দেশের বাইরে কাবুলে কাটানো প্রবাস জীবনের কথা লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে 'দেশে বিদেশে' কার লেখা এবং এর পটভূমি কোনটি। লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী এবং এর পটভূমি আফগানিস্তানের কাবুল শহর, এই দুটি তথ্য মুখস্থ রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0