প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ
b গাজী শামসুর রহমান
c সৈয়দ মুজতবা আলী
d মুহম্মদ আব্দুল হাই
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ মুজতবা আলী ১. কেন সঠিক: সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যে রম্য রচনা বা লঘু প্রবন্ধের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শীর্ষস্থানীয় লেখক। তাঁর লেখার মূল বৈশিষ্ট্য হলো মুন্সিয়ানাভরা হাসির খোরাক, গভীর জীবনদর্শন এবং চমৎকার ভ্রমণকাহিনির রসালো উপস্থাপন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, রম্যকার ও গবেষক ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত রম্য রচনা ও প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর মধ্যে চাচাপুরা, দেশে বিদেশে এবং পঞ্চতন্ত্র বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে বিদেশে ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণ ও রম্যভিত্তিক সাহিত্যকর্ম, যেখানে কাবুলের দিনগুলোর রসাত্মক বর্ণনা রয়েছে। উদাহরণ ২: পঞ্চতন্ত্র ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত রম্য প্রবন্ধ সংকলন, যা বাংলা রম্য সাহিত্যে ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত, রম্য রচনার জন্য প্রধানত বিখ্যাত নন। B) গাজী শামসুর রহমান — তিনি একজন বিখ্যাত আইনবিদ, প্রাবন্ধিক ও শিশুসাহিত্যিক হিসেবে সুপরিচিত, রম্য রচয়িতা হিসেবে নন। D) মুহম্মদ আব্দুল হাই — তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন, তাঁর প্রধান অবদান বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চায়। ৫. মনে রাখার টিপস: রম্য রচনার রাজা সৈয়দ মুজতবা আলী, তাঁর বিখ্যাত বই দেশে বিদেশে ও চাচাপুরা সবসময় মনে রাখবে। বাংলা রম্য সাহিত্যে তাঁর মতো হালকা চালে গভীর কথা বলার শৈলী আর কারও মধ্যে খুব একটা দেখা যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম সত্যপীর বা অবিসংবাদিত রম্য রচনা নিয়ে বারবার প্রশ্ন আসে। কোন লেখকের কোন সাহিত্যকর্মটি রম্য রচনা বা ভ্রমণকাহিনি, তা আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0