প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৩ এপ্রিল
b ১৩ জুন
c ১৬ মার্চ
d ১৩ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ মার্চ ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই জীবনকাল ও প্রয়াণ তারিখ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রমিত সাহিত্য ইতিহাস দ্বারা এটি সম্পূর্ণ সমর্থিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমারডের বাঙালি কবি ও ঔপন্যাসিক যিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত ও সমাদৃত। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশীাঁ কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা রোমান্টিক কাব্যধারার অনন্য নিদর্শন ও কালজয়ী সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশীাঁ কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি জসীমউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি গ্রামীণ লোকজীবন ও প্রেমের এক অপূর্ব শৈল্পিক রূপায়ন যা বাংলা সাহিত্যে তাঁকে অমর করে রেখেছে। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট কবি জসীমউদ্দীন রচিত অপর একটি জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা। ব্যাখ্যা: এতে বাংলার গ্রামীণ সমাজ জীবন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ট্র্যাজেডির চিত্র অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩ এপ্রিল — এই তারিখে জসীমউদ্দীন মৃত্যুবরণ করেননি এবং এটি তাঁর প্রয়াণ সংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে না। B) ১৩ জুন — এই তারিখটি জসীমউদ্দীনের মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল তারিখ। C) ১৬ মার্চ — এই তারিখটিও কবি জসীমউদ্দীনের মৃত্যুর সঠিক দিন বা সাল নির্দেশ করে না। D) ১৩ মার্চ — এই তারিখটি কবি জসীমউদ্দীনের মৃত্যুর সঠিক দিন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্ম ও মৃত্যুর মাস মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর জন্ম জানুয়ারি মাসে এবং মৃত্যু মার্চ মাসের ১৩ তারিখে। ১৯০৩ সালে জন্ম নিয়ে তিনি ১৯৭৩ এর দশক অর্থাৎ ১৯৭৬ সালের মার্চ মাসে মারা যান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কবি জসীমউদ্দীনের জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। লেখকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল এবং তারিখ মুখস্থ করার সময় সাল ও মাসের ক্রম মনে রাখা খুবই কার্যকর পদ্ধতি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0