প্রশ্নের বর্ণনা

a 1948
b 1938
c 1936
d 1928
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৩৮ ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এই পদে কিছুদিন শিক্ষকতা করার পর ১৯৪৪ সালে সরকারের প্রচার বিভাগে যোগ দেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমারডের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশীাঁ কাথার মাঠ ও সোজন বা দিয়ারের ঘাট তাকে অমর করে রেখেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশীাঁ কাথার মাঠ। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি পল্লীজীবনের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে এবং এটি একটি শ্রেষ্ঠ পদ্যকাহিনী। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত রচনা সোজন বা দিয়ারের ঘাট। ব্যাখ্যা: এটি তার কবিপ্রতিভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ও বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ — এই সালে জসীমউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক ছিলেন না বরং তিনি তখন অন্য পেশায় যুক্ত ছিলেন। B) ১৯৩৮ — এই সালটি সঠিক কারণ তিনি এই বছরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগ দেন। C) ১৯৩৬ — এই সালটি জসীমউদ্দীনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের সাল নয়। D) ১৯২৫ — এই সালটি জসীমউদ্দীনের ছাত্রজীবন ও সাহিত্যজীবনের শুরুর দিকের সময়। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন ত্রিশের দশকের শেষভাগে, সালটি মনে রাখুন ১৯৩৮। তার জন্মসাল ১৯০৩ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের সাল ১৯৩৮ মনে রাখলে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি-সাহিত্যিকদের কর্মজীবন ও পেশা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের জন্ম, মৃত্যু, শিক্ষা ও কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য সালগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0