প্রশ্নের বর্ণনা

a স্কুলে পড়েন
b কলেজে পড়েন
c বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন
d আইন বিভাগে পড়েন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলেজে পড়েন ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন যখন তাঁর বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি রচনা করেন, তখন তিনি ছাত্রজীবন পার করছিলেন। ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা এবং রাজেন্দ্র কলেজ থেকে আইএ পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং কলেজজীবন শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সেই সন্ধিক্ষণেই কবিতাটি রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও folklorist বা লোকসাহিত্য সংগ্রাহক। তাঁর 'কবর' কবিতাটি ১৯২৫ সালে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর প্রথম যুগের এক অসামান্য সৃষ্টি যা বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতির দুঃখ-বেদনাকে অমরত্ব দিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নক্সी কাথার মাঠ'। ব্যাখ্যা: এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত একটি শ্রেষ্ঠ লিরিক্যাল বা গীতিকাব্য যা পল্লীজীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের আরেকটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ 'সোজন বাদিয়ার ঘাট'। ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতি ও প্রেমের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্কুলে পড়েন — জসীমউদ্দীন যখন 'কবর' কবিতা লেখেন তখন তিনি স্কুল পার করে উচ্চশিক্ষার স্তরে ছিলেন। B) কলেজে পড়েন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি তখন ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে অধ্যয়নরত ছিলেন। C) বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন — তিনি পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করলেও 'কবর' রচনার সময় তিনি কলেজছাত্র ছিলেন। D) আইন বিভাগে পড়েন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ অধ্যয়ন করেছিলেন, আইন বিভাগে পড়েননি। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি তাঁর কলেজজীবনের বিখ্যাত কীর্তি হিসেবে মনে রাখতে হবে। কবর কবিতার রচনাকাল এবং কবি তখন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছিলেন তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি ইন্টারমিডিয়েট বা এইচএসসি শ্রেণীতে পড়ার সময় অর্থাৎ কলেজজীবনেই রচিত হয়েছিল। কবিদের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম রচনার সময় বা বয়স সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0