প্রশ্নের বর্ণনা

a সোজন বাদিয়ার ঘাট
b বালুচর
c নকশীকাঁথার মাঠ
d রাখালী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নকশীকাঁথার মাঠ ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'নকশীকাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থটি বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এই কাব্যগ্রন্থটি বিশ্বসাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন ই. এম. মিলফোর্ড। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমারতের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। তার রচিত 'নকশীকাঁথার মাঠ' একটি শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত প্রণয়কাব্য বা গাথা কাব্য। উদাহরণ ২: রাখালী ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোজন বাদিয়ার ঘাট — এটি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্য হলেও প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত কাব্য হিসেবে এটি প্রধান নয়। B) বালুচর — এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কিন্তু এটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হওয়ার জন্য প্রধানত পরিচিত নয়। C) নকশীকাঁথার মাঠ — এটি সঠিক উত্তর। D) রাখালী — এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলেও প্রশ্নানুযায়ী এটি অনূদিত কাব্য হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নকশীকাঁথার মাঠ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এবং অনূদিত হয়েছে। জসীমউদ্দীনের নামের সঙ্গে মাঠ ও ঘাটের কাব্যগুলো মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নকশীকাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ করেছেন ই. এম. মিলফোর্ড। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কবির কাব্যগ্রন্থের নাম ও প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0