প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b কবি গোলাম মোস্তফা
c কবি জসীম উদ্দীন
d মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবি জসীম উদ্দীন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জসীম উদ্দীন রচিত বিখ্যাত একটি সাহিত্যকর্মের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়েছে। - নকশী কাঁথার মাঠ হলো বাংলা সাহিত্যের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ যা পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীম উদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্জে আবির্ভূত বাংলার এক অনন্য প্রধান কবি যিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা আখ্যানকাব্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোজন বাদের ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীম উদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় আখ্যানকাব্য। উদাহরণ ২: রাখালী ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা। B) কবি গোলাম মোস্তফা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামী ভাবধারার কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য হলো বিশ্বনবী। C) কবি জসীম উদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের রচয়িতা হিসেবে নির্দিষ্ট। D) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু। ৫ মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি বললেই জসীম উদ্দীনকে মনে রাখবে এবং তাঁর নকশী কাঁথার মাঠ বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত পলীগাথা। - কবির জন্মস্থান ফরিদপুর হওয়ায় তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ ও ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজিতে ফিল্ড অব এমব্রয়ডারি নামে অনূদিত হয়েছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0