প্রশ্নের বর্ণনা

a স্ত্রী বিয়োগের বেদনা বিলাপ
b প্রিয়জন হারানোর মর্মান্তিক স্মৃতিচারণ
c সন্তান হারানোর শোকগাথা
d বন্ধু বিচ্ছেদের করুণ কাহিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রিয়জন হারানোর মর্মান্তিক স্মৃতিচারণ ১. কেন সঠিক: - 'কবর' কবিতায় পল্লীকবি জসীমউদ্দীন মূলত গ্রামীণ জীবনের এক মর্মান্তিক পারিবারিক বিয়োগান্তক ঘটনার চিত্র তুলে ধরেছেন। - কবিতার প্রতিটি চরণে দাদু ও নাতীর কথোপকথনের মাধ্যমে প্রিয়জন হারানোর গভীর বেদনা এবং স্মৃতির রোমন্থন প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কবর' কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পল্পীকাব্যের নিদর্শন যা জসীমউদ্দীনের 'রাখাল ছেলে' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - এই কবিতাটি ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কবিতায় পল্লী প্রকৃতির এক বাস্তব রূপ ও লোকজ সুর নিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসমানী ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীনের এই কবিতাতেও গ্রামীণ জীবনের দুঃখ-কষ্ট ও মানুষের বঞ্চনার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি কবির একটি অমর শোকগাথাধর্মী কাহিনী কাব্য যেখানে গ্রামীণ প্রেমের করুণ পরিণতি ও প্রিয়জন হারানোর বেদনা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ত্রী বিয়োগের বেদনা বিলাপ — এই কবিতায় শুধু স্ত্রী নয়, বরং স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও নাতিসহ পুরো পরিবারের প্রিয়জন হারানোর স্মৃতিচারণ করা হয়েছে। B) প্রিয়জন হারানোর মর্মান্তিক স্মৃতিচারণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতার মূল সুরই হলো প্রিয়জনদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের স্মৃতি রোমন্থন। C) সন্তান হারানোর শোকগাথা — শুধু সন্তান হারানো নয়, বরং বুড়ো দাদুর জীবনের সব আপনজনকে একে একে হারানোর বেদনা এখানে এসেছে। D) বন্ধু বিচ্ছেদের করুণ কাহিনী — এই কবিতায় কোনো বন্ধু বিচ্ছেদের কথা নেই, বরং পারিবারিক সম্পর্ক ও ভালোবাসার মানুষদের হারানোর শোক রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা মানেই কবরের পাশে বসে প্রিয়জন হারানোর স্মৃতিচারণ। - কবির নাম জসীমউদ্দীন আর তাঁর প্রথম প্রকাশিত বিখ্যাত কবিতা হলো কবর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'কবর' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - এই কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে পল্লীগীতির ধারা প্রতিষ্ঠা করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0