প্রশ্নের বর্ণনা

a তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা
b ধুমকেতু
c কল্লোল
d কালি ও কলম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কল্লোল ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের অমর সৃষ্টি 'কবর' কবিতাটি প্রথম ১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাসে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমেই জসীমউদ্দীন বাংলা কাব্যাঙ্গনে এক নতুন ধারার সূচনা করেন এবং ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লিপ্রকৃতির রূপ ও মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। 'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত ও শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর অন্যতম যা তার 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই কবি পল্লিকবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং এতে গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তার একটি অন্যতম বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগাথা যা পল্লীজীবন ও প্রেমের এক অপূর্ব নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা — এটি অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি প্রাচীন পত্রিকা হলেও জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি এতে প্রকাশিত হয়নি। B) ধুমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী পত্রিকা যার সঙ্গে 'কবর' কবিতা প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) কল্লোল — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি প্রথম এই সাহিত্য পত্রিকাতেই স্থান পেয়েছিল। D) কালি ও কলম — এটি আধুনিক একটি সাহিত্য পত্রিকা যা জসীমউদ্দীনের কবিতা প্রকাশের অনেক পরে আত্মপ্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি প্রকাশের জন্য বিখ্যাত 'কল্লোল' পত্রিকার কথা মনে রাখতে হবে। কল্লোল মানে তরঙ্গের শব্দ, আর জসীমউদ্দীনের কবিতা পাঠেও মনের ভেতর অনুভূতির তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' এবং তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা 'কবর' ১৯২৫ সালে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই কবির প্রথম প্রকাশিত কবিতা ও তার প্রকাশের সাল বা পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0