প্রশ্নের বর্ণনা

a নোয়াখালীতে
b ফরিদপুরে
c বরিশালে
d চব্বিশ পরগনায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফরিদপুরে ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি, মানুষের সহজ-সরল জীবন ও লোকসংস্কৃতি তাঁর কাব্যে নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে বলে তাঁকে পল্লীকবি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট রোমান্টিক কবি ও গায়ক। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশীাঁ কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশীাঁ কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিশ্বমানের শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য যা পল্লীজীবনের অমর প্রেমের গাথা। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য যা গ্রামীণ সমাজের দ্বন্দ্ব ও প্রেমের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোয়াখালীতে — নোয়াখালীতে জসীমউদ্দীন জন্মগ্রহণ করেননি, এটি ভুল তথ্য। B) ফরিদপুরে — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কবির জন্মস্থান। C) বরিশালে — বরিশালে জসীমউদ্দীন জন্মগ্রহণ করেননি, এটি ভুল তথ্য। D) চব্বিশ পরগনায় — চব্বিশ পরগনায় জসীমউদ্দীন জন্মগ্রহণ করেননি, এটি ভুল তথ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো তিনি পল্লীর টানে ফরিদপুরেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর উপাধি এবং জন্মস্থান বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কবি জসীমউদ্দীনের ডাকনাম ছিল কালু এবং তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। এই তথ্যগুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0