প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯০৩-১৯৭৬ইং
b ১৮৮৯-১৯৬৬ইং
c ১৮৯৯-১৯৭৯ইং
d ১৯১০-১৯৮৭ইং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯০৩-১৯৭৬ইং ১. কেন সঠিক: - পল্লীকবি জসিমউদ্দীনের জন্ম ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালের ১৪ই মার্চ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও সাহিত্যিকদের জীবনকাল বা জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসিমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত পল্লীকবি ও আধুনিক রোমান্টিক ধারার কবি। - নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাডিয়ার ঘাট ও রাখালী তাঁর অমর সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসিমউদ্দীন রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাঁথার মাঠ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য যা পল্লীপ্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: জসিমউদ্দীনের কবর কবিতাটি তাঁর রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি আধুনিক বাংলা কবিতায় পল্লীজীবন ও গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৩-১৯৭৬ইং — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কবি জসিমউদ্দীনের সঠিক জন্ম ও মৃত্যুর সাল নির্দেশ করে। B) ১৮৮৯-১৯৬৬ইং — এই সময়সীমাটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ কাজী আবদুল ওদুদের জীবনকাল নির্দেশ করে। C) ১৮৯৯-১৯৭৯ইং — এই সময়সীমাটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার কাজী ইমদাদুল হকের সাথে মেলে না, এটি অন্য কোনো ব্যক্তিত্বের সময়কাল। D) ১৯১০-১৯৮৭ইং — এই সময়সীমাটি কবি জসিমউদ্দীনের জীবনকালের সাথে মিলছে না, এটি ভুল তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসিমউদ্দীনের জন্মসাল মনে রাখতে ৩ অঙ্কটি মনে রাখতে পারো, যেমন ১৯০৩ সাল। - পল্লীকবির জন্মস্থান ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে, যা তাঁর কবিতায় প্রভাব ফেলেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবি জসিমউদ্দীনকে পল্লীকবি উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে কারণ তাঁর কবিতায় পল্লীর রূপ নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। - একই ধরনের প্রশ্নে কবিদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0