প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b দোলনচাঁপা
c চক্রবাক
d বলাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বলাকা ১. কেন সঠিক: - বলাকা হলো বাংলা সাহিত্যের অনন্য প্রতিভা কবি ও সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি, তা জানতে চাওয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কাব্যগ্রন্থটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি, যিনি তার দ্রোহ ও প্রেমের কবিতার জন্য বিখ্যাত। - বলাকা কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক ও গতিশীল চেতনার প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সংকলিত কাব্যগ্রন্থ, যা তার শ্রেষ্ঠ কবিতার সংকলন। উদাহরণ ২: পূরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। B) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক ও গীতিধর্মী কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। C) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেম ও সৌন্দর্যের ভাবনায় সমৃদ্ধ একটি কাব্যগ্রন্থ। D) বলাকা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো তার বিদ্রোহী ও প্রেমের ধারার বইগুলো আলাদা করা যেমন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, দোলনচাঁপা। - রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে বলাকা, মানসী, চিত্রা, সোনার তরী বিশেষভাবে স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলো মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের কাব্যগ্রন্থের নাম মুখস্থ রাখার পাশাপাশি কোন কবি কোন যুগের এবং কোন ধারার প্রতিনিধি, তা খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0