প্রশ্নের বর্ণনা

a ৮ জুন, ২০০৫, ঢাকা
b ১১ জুন, ২০০৫, কোলকাতা
c ১৫ জুন, ২০০৫, কোলকাতা
d ১২ জুন, ২০০৫, ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ জুন, ২০০৫, ঢাকা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, কর্ম ও সাহিত্য নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা ও প্রচারের উদ্দেশ্যে ২০০৫ সালের ১২ জুন ঢাকায় প্রথম আন্তর্জাতিক নজরুল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের মাধ্যমে নজরুল সাহিত্য বিশ্ব দরবারে আরও ব্যাপকভাবে পরিচিত লাভ করে এবং নজরুল গবেষণা নতুন মাত্রা পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তিনি সাম্য, প্রেম ও মানবতারও কবি। তাঁর সাহিত্যকর্ম বাংলা কবিতা, গান, উপন্যাস এবং প্রবন্ধ শাখাকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ করেছে এবং তাঁর রচিত বিদ্রোহী কবিতা বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে এক মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই তিনি বাংলা কাব্যাঙ্গনে বিদ্রোহী কবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। উদাহরণ ২: নজরুলের বিখ্যাত গান চল চল চল বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে গৃহীত হয়েছে। ব্যাখ্যা: তাঁর লেখনী শুধু কবিতা বা উপন্যাসে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সংগীত জগতেও তাঁর অবদান অনন্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জুন, ২০০৫, ঢাকা — এই তারিখটি সঠিক নয় কারণ প্রথম আন্তর্জাতিক নজরুল সম্মেলন এই দিনে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) ১১ জুন, ২০০৫, কোলকাতা — সম্মেলনটি কোলকাতায় নয়, বরং ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) ১৫ জুন, ২০০৫, কোলকাতা — এই তারিখ ও স্থান উভয়ই প্রথম আন্তর্জাতিক নজরুল সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১২ জুন, ২০০৫, ঢাকা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: কবি কাজী নজরুল ইসলামের আন্তর্জাতিক সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৫ সালের ১২ জুন। তারিখটি মনে রাখতে ১২ সংখ্যাটিকে মনে রাখতে পারো যা বছরের ষষ্ঠ মাসের মাঝামঝি সময়ে পড়ে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাল ও ঐতিহাসিক ঘটনা প্রায়ই আসে। নজরুল সম্পর্কিত বিভিন্ন সম্মেলন, পুরস্কার এবং তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের প্রকাশের সালগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0