প্রশ্নের বর্ণনা

a 1978
b 1977
c 1976
d 1979
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৬ ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানোর জন্য ১৯৭৬ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়। - এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার যা ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সংগীতকার। - তাঁর সাহিত্যকর্মে বিদ্রোহ, প্রেম ও সাম্যের বাণী প্রকাশিত হয়েছে, যার জন্য তাঁকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীন — ১৯৭৬ সালে একুশে পদক লাভ করেন। ব্যাখ্যা: তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ জীবন সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামাল — ১৯৭৬ সালে একুশে পদক লাভ করেন। ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি, নারী অধিকার নেত্রী ও ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৮ — এই সালে কাজী নজরুল ইসলাম একুশে পদক পাননি, কারণ তিনি ১৯৭৬ সালে এই পদক লাভ করেছিলেন। B) ১৯৭৭ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ একুশে পদক প্রবর্তনের প্রথম বছর অর্থাৎ ১৯৭৬ সালেই তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। C) ১৯৭৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই তাঁকে প্রথম একুশে পদক প্রদান করা হয়। D) ১৯৭৯ — এই সালে কাজী নজরুল ইসলাম একুশে পদক পাননি, সঠিক সালটি হলো ১৯৭৬। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯৭৬ সালটি याद রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম যে বছরগুলোতে একুশে পদক দেওয়া শুরু হয়, তার প্রথম ব্যাচেই জাতীয় কবি এই সম্মান পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একুশে পদক চালুর সাল এবং প্রথম প্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0