প্রশ্নের বর্ণনা

a বিদ্যাপতি
b গুলবাগিচা
c কুহেলিকা
d যুগবাণী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুগবাণী ১. কেন সঠিক: - যুগবাণী হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে প্রকাশিত প্রবন্ধগুলোতে সমসাময়িক রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে সফল প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। - যুগবাণী গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে এবং এর প্রচ্ছদ ও প্রারম্ভিক আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজবন্দীর জবানবন্দী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ যা তিনি আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বসে পাঠ করেছিলেন। উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা সমকালীন সমাজ ও রাজনীতির ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যাপতি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কোনো প্রবন্ধ বা গ্রন্থ নয়, এটি প্রখ্যাত মৈথিলি কবি বিদ্যাপতি সম্পর্কিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রবন্ধ বা জীবনীমূলক আলোচনা। B) গুলবাগিচা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। C) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, কোনো প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। D) যুগবাণী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রবন্ধ মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো যুগবাণী ও দুর্দিনের যাত্রী নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখা। - উপন্যাস মনে রাখার জন্য কুহেলিকা, মৃত্যুক্ষুধা ও বাঁধন হারা এই তিনটি নাম আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ বা উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিকদের নামের সঙ্গে তাদের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা প্রবন্ধ গ্রন্থের নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0