প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b বিষের বাঁশী
c কুহেলিকা
d দোলন চাঁপা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোলন চাঁপা ১. কেন সঠিক: - দোলন চাঁপা কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি কাব্য এবং এটি তাঁর প্রেমানুভূতিমূলক ও রোমান্টিক চেতনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রকাশ। - এই কাব্যের কবিতায় কবির দ্রোহী রূপের পাশাপাশি প্রেমিক রূপ অত্যন্ত সুন্দর ও সূক্ষ্মভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও তাঁর বহু রচনায় প্রেম, প্রকৃতি ও মানবতাবাদের গভীর সুর বাজmüştে দেখা যায়। - দোলন চাঁপা কাব্যটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর নামকরণ করা হয়েছে দোলনচাঁপা ফুলের নামানুসারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছায়ানট ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত কাব্য, যা দোলন চাঁপার পাশাপাশি তাঁর রোমান্টিক ও দ্রোহাত্মক চেতনার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি অগ্নিবীণা কাব্যের কবিতা, যা নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার অন্যতম প্রধান উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও বিদ্রোহী কবিতার সংকলন, যা প্রেমানুভূতির চেয়ে দ্রোহ ও বিপ্লবের জন্য বেশি পরিচিত। B) বিষের বাঁশী — এটি নজরুলের একটি প্রতিবাদী ও সাম্যবাদী ভাবধারার কাব্যগ্রন্থ, যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। C) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, কোনো কাব্যগ্রন্থ বা প্রেমানুভূতিমূলক কাব্য নয়। D) দোলন চাঁপা — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রেমের কাব্য মনে রাখতে মনে রাখো চাঁপা ফুলের মতো কোমল প্রেমের কথা, যা দোলন চাঁপা কাব্যে প্রকাশ পেয়েছে। - বিদ্রোহী রচনার জন্য অগ্নিবীণা এবং প্রেমের অনুভূতির জন্য দোলন চাঁপা মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম কাব্য বা প্রথম উপন্যাস প্রায়ই আসে। - কবির কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0