প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯২২ সালে
b ১৯২৫ সালে
c ১৯৩০ সালে
d ১৯৩২ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২২ সালে ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন হলো ব্যথার দান। এই গ্রন্থটি ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার সাহিত্যজীবনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক হিসেবেও তার বিশেষ অবদান রয়েছে। ব্যথার দান গল্পগ্রন্থে মোট কয়টি গল্প রয়েছে এবং এর সমসাময়িককালে প্রকাশিত তার অন্যান্য গ্রন্থগুলোর সাহিত্যিক প্রেক্ষাপট পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালের মে মাসে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: রিক্তের বেদন ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন, যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২২ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ নজরুলের ব্যথার দান গল্পগ্রন্থটি এই সালেই প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৯২৫ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯২৫ সালে নজরুলের রিক্তের বেদন ও চিত্তনামা গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। C) ১৯৩০ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালে নজরুলের প্রলয়উল্লাস বা সমসাময়িক রাজনৈতিক গ্রন্থগুলোর প্রকাশকাল ধরা হয়। D) ১৯৩২ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সালের সঙ্গে ব্যথার দান গ্রন্থটির প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং প্রথম গল্পগ্রন্থ উভয়ই ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়েছে। তাই ১৯২২ সালটি নজরুল সাহিত্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সন হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, প্রথম গল্পগ্রন্থ এবং প্রথম উপন্যাস সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নজরুলের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো বাঁধন হারা এবং প্রথম নিষিদ্ধ গ্রন্থ হলো বিষের বাঁশী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0