প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯০৩-১৯৭৬
b ১৮৮৯-১৯৬৬
c ১৮৯৯-১৯৭৬
d ১৮৯৯-১৯৬৬
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৯৯-১৯৭৬ ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তার এই জন্ম ও মৃত্যুর সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বারবার আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও সংগীতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তার প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি ১৩১৯ বঙ্গাব্দে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকায় এবং প্রথম কাব্যগ্রন্থ বিদ্রোহী অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিদ্রোহী কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও রাজনৈতিক কবিতা সংকলন যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৩-১৯৭৬ — এই সালটি কবি কাজী নজরুলের জীবনকাল নয়, এটি অন্য কোনো সাহিত্যিকের জন্ম ও মৃত্যুর সাল নির্দেশ করে। B) ১৮৮৯-১৯৬৬ — এই সালটি বাংলা সাহিত্যের অন্য কোনো বিশিষ্ট লেখকের জীবনকাল, যা নজরুলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ১৮৯৯-১৯৭৬ — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের সঠিক জন্ম ও মৃত্যুর সাল। D) ১৮৯৯-১৯৬৬ — এখানে জন্মসাল সঠিক হলেও মৃত্যুসাল ভুল দেওয়া হয়েছে কারণ তিনি ১৯৬৬ সালে মারা যাননি। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের জন্মসাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি উনিশ শতকের একেবারে শেষ প্রান্তে অর্থাৎ ১৮৯৯ সালে জন্মেছিলেন। মৃত্যুর সাল ১৯৭৬ মনে রাখতে স্বাধীন বাংলাদেশের কাছাকাছি সময় এবং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভের সময়কাল স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের জন্ম-মৃত্যু সাল প্রায়ই আসে তাই প্রধান কবিদের সালগুলো একটি ছক করে মুখস্থ রাখা ভালো। নজরুল সম্পর্কে প্রশ্ন এলে তার বিদ্রোহী কবির উপাধি এবং প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালোভাবে দেখে যেতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0