প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ সাহিত্যিক উদ্ধৃতি। - এর মাধ্যমে কবি তরুণ সমাজের শারীরিক বয়স কম থাকা সত্ত্বেও ভেতরে ভেতরে আদর্শহীনতা, ক্লান্তি ও বার্ধক্যের মানসিকতা গ্রাস করার করুণ চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি বাংলা কবিতায় প্রথম বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন। - তার লেখনীতে পরাধীনতা ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র দ্রোহের পাশাপাশি তারুণ্যের শক্তি ও বার্ধক্যের নিষ্ক্রিয়তার তুলনা বারবার উঠে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের বিদ্রোহী ও প্রলয়োল্লাস কবিতাগুলোতে তারুণ্যের অপ্রতিরোধ্য শক্তির জয়গান গাওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে তরুণ সমাজকে জাগ্রত করার জন্য নানা ধরনের উদ্দীপনামূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো রচনায় এই বিশেষ উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায় না, তাই এটি ভুল। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে উপযুক্ত সাহিত্যিক প্রমাণ রয়েছে। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক হলেও এই ধরনের রূপকধর্মী উদ্ধৃতি তাঁর কোনো উপন্যাসে নেই। D) ফররুখ আহমদ — ফররুখ আহমদ ইসলামী ভাবধারার কবি হলেও এই প্রখ্যাত উদ্ধৃতির রচয়ীতা তিনি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - উর্দির নীচে কঙ্কাল রূপের মতো তীক্ষ্ণ ও বিদ্রোহী ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য সাধারণত বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচনায় বেশি দেখা যায়। - কবির নাম মনে রাখতে তরুণদের জাগাতে তার অগ্নিবীণা এবং এই জাতীয় পঙক্তিগুলো সবসময় মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর পঙক্তি বা উদ্ধৃতি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - উদ্ধৃতির পেছনের মূল সুর ও লেখকের লেখার ধরণ খেয়াল রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0