প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯১৮ সালে
b ১৯১৯ সালে
c ১৯২০ সালে
d ১৯২২ সালে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৮ সালে ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতা হলো মুক্তি। এই কবিতাটি বাংলা ১৩২৫ সনের শ্রাবণ মাসে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, যা খ্রিস্টীয় ১৯১৮ সাল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তার প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্ম এই মুক্তি কবিতাটি এবং এর মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ব্যাখ্যা: ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিল। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতাটি ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এই কবিতার মাধ্যমেই নজরুল সমগ্র বাংলায় বিদ্রোহী কবি হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবির মুক্তি কবিতাটি এই সালেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৯১৯ সালে — এই সালে নজরুলের কোনো প্রথম কবিতা প্রকাশের ঐতিহাসিক তথ্য নেই। C) ১৯২০ সালে — এই সালে নজরুল সেনাদল ত্যাগ করে কলকাতায় ফিরে আসেন এবং সাহিত্যচর্চায় মন দেন। D) ১৯২২ সালে — এই সালে নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয়, প্রথম কবিতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম কবিতা মুক্তি ১৯১৮ সালে প্রকাশিত হয় আর প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। কবিতা প্রকাশের চার বছর পর তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির প্রথম কবিতা, প্রথম গ্রন্থ ও প্রকাশের সাল জিজ্ঞেস করা হয়। এ ক্ষেত্রে সালগুলো আলাদা করে ছক আকারে মনে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0