প্রশ্নের বর্ণনা

a সঞ্চিতা
b ব্যাথার দান
c বিষের বাঁশি
d রাজবন্দীর জবানবন্দী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সঞ্চিতা ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত কবিতা সংকলন 'সঞ্চিতা' বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির বিভিন্ন সময়ে রচিত প্রগতিশীল ও দ্রোহের বাণীসমৃদ্ধ নির্বাচিত কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি নামে খ্যাত। এই উৎসর্গীকৃত গ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে নজরুল রবীন্দ্রনাথের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। ব্যাখ্যা: এটি উৎসর্গপত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি নজরুলের অন্তরের ভক্তি ও প্রীতির এক অনন্য প্রকাশ। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্য সংকলনটি উৎসর্গ করা হয়েছিল প্রমথ চৌধুরীকে। ব্যাখ্যা: উৎসর্গ ও সংকলন সংক্রান্ত এমন তথ্যগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একসঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঞ্চিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছে। B) ব্যাথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্পের বই, যা রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করা হয়নি। C) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাগ্রন্থ, যা ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। D) রাজবন্দীর জবানবন্দী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ ও জবানবন্দীবন্দী গ্রন্থ, যা আদালত চত্বরে পাঠ করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কবিতার বড় সংকলন 'সঞ্চিতা' উৎসর্গ করা হয়েছে গুরুস্থানীয় রবীন্দ্রনাথকে। নামের শেষে আকারযুক্ত 'সঞ্চিতা' নজরুলের এবং 'সঞ্চয়িতা' রবীন্দ্রনাথের নিজের কবিতা সংকলন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নজরুলের 'সঞ্চিতা' উৎসর্গপত্রটি বাংলা সাহিত্যে এক ঐতিহাসিক শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে সমাদৃত। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই লেখক ও তাঁদের উৎসর্গকৃত গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0