প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b জীসমউদ্দীন
c কাজী নজরুল ইসলাম
d বন্দে আলী মিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - ‘বিষের বাঁশী’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কাব্য। - এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে কবি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও বিপ্লবের বাণী প্রচার করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আধুনিক বাংলা গানের এক যুগপ্রবর্তক প্রতিভা। - ‘বিষের বাঁশী’ কাব্যটি প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে এবং প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ব্রিটিশ সরকার এটি বাজোপ্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নি3৫ ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত ও সাড়া জাগানো বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা যা বিপ্লবের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি ‘বিষের বাঁশী’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন, বরং তিনি গীতাঞ্জলি ও সোনার তরী কাব্যের জন্য বিখ্যাত। B) জীসমউদ্দীন — এটি একটি ভুল বানান বা বিভ্রান্তিকর নাম, সঠিক সাহিত্যিক জসীমউদ্দীন হলেও তিনি এই কাব্যের রচয়িতা নন। D) বন্দে আলী মিয়া — ইনি একজন প্রখ্যাত গ্রামীণ কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের বিদ্রোহী ও প্রতিবাদী কাব্যগুলো মনে রাখার কৌশল হলো ‘বিষের বাঁশী’ বাজলেই বিদ্রোহীরা ‘অগ্নিবীণা’ হাতে মাঠে নামে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের বাজোপ্ত হওয়া কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। নজরুলের অন্যান্য বাজোপ্ত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘ভাঙার গান’, ‘প্রলয়শিখা’ ও ‘চন্দ্রবিন্দু’।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0