প্রশ্নের বর্ণনা

a ধূমকেতু
b বিদ্রোহী
c অগ্রপথিক
d প্রলয়োল্লাস
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রলয়োল্লাস ১. কেন সঠিক: - 'প্রলয়োল্লাস' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'-র প্রথম কবিতা। - এই কবিতায় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নতুনের কেতন বা ধ্বজা উড়িয়ে ধ্বংসের ভেতর দিয়ে নতুন সৃষ্টির আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের কার্তিক মাসে (বাংলা ১৩২৯ সাল) প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। - এই কাব্যে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে যার মধ্যে প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, কামাল পাশা ও রক্তিম ঝংকার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা 'বিদ্রোহী'। ব্যাখ্যা: প্রলয়োল্লাস প্রথম কবিতা হওয়ার পরের কবিতাটিই হলো বাংলা সাহিত্যের মোস্ট পপুলার বা বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা কাব্যের শেষ কবিতা 'পদ্মপারের অতিথি'। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই প্রথম ও শেষ কবিতা মনে রাখা জরুরি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো কবিতা নয়। B) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা, প্রথম কবিতা নয়। C) অগ্রপথিক — এটি নজরুল ইসলামের কোনো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) প্রলয়োল্লাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রলয় দিয়ে শুরু হয় প্রলয়োল্লাস, আর অগ্নিবীণার শুরু মানেই প্রলয়ের উল্লাস। এভাবে মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি কার প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছিল তা প্রায়ই আসে (বারীন্দ্রকুমার ঘোষ)। - প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং প্রথম কবিতার নাম আলাদা করে মনে রাখবেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0