প্রশ্নের বর্ণনা

a চক্রবাক
b বালুচর
c ছায়ানট
d রুদ্রমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বালুচর ১. কেন সঠিক: - বালুচর কাব্যগ্রন্থটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - প্রশ্নটিতে কাজী নজরুল ইসলামের নয় এমন সাহিত্যকর্মটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, তাই বুদ্ধদেব বসুর এই কাব্যগ্রন্থটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বালুচর কাব্যগ্রন্থটির রচিয়তা কবি বুদ্ধদেব বসু, যিনি বাংলা সাহিত্যের ত্রয়ী প্রজন্মের অন্যতম কবি ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি বাংলা কবিতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন এবং তার লেখনীতে সাম্য ও দ্রোহের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কবিতা সংকলন, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: বন্দনা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম পরিচিত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যিক পরিচয়ের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। B) বালুচর — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়, বরং কবি বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হতে পারে না। D) রুদ্রমঙ্গল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ, তাই এটিও তার রচনা হিসেবে গণ্য হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য বালুচর নামটি বিশেষভাবে মনে রাখতে পারো কারণ এটি নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর নামের চেয়ে আলাদা ধাঁচের। - নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলোর নামকরণে চক্রবাক, ছায়ানট বা রুদ্রমঙ্গল এর মতো একটু গম্ভীর ও বিদ্রোহী ভাব থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের কাব্যগ্রন্থের নাম দিয়ে কোনটি কার রচনা তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে বিভ্রান্ত হতে না চাইলে কবিদের প্রধান প্রধান কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0