প্রশ্নের বর্ণনা

a ছায়ানট
b দোলনচাঁপা
c মহাশ্মশান
d সিদ্ধু হিন্দোল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাশ্মশান ১. কেন সঠিক: - মহাশ্মশান কাব্যগ্রন্থটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি মহাকবি কায়কোবাদের বিখ্যাত মহাকাব্য। - পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত এই মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ শোকগাথা ও মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহাকাব্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত এবং তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী। - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি, যিনি বাংলা কবিতায় বিদ্রোহ ও প্রেমের এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিলেন এবং তাঁর সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা কবিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ, যা প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার বাজোপ্ত করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রোমান্টিক ও বিদ্রোহী ভাবধারার একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি ভুল অপশন। C) মহাশ্মশান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় বরং কায়কোবাদের মহাকাব্য, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) সিদ্ধু হিন্দোল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের কাব্য মনে রাখার কৌশল হিসেবে দোলনচাঁপা, ছায়ানট ও সিন্ধু হিন্দোল একত্রে মনে রাখতে পারো। মহাশ্মশান নামটি দেখলেই মনে রাখবে এটি কায়কোবাদের মহাকাব্য, নজরুলের নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর কীর্তি এবং তাঁদের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। কোনো সাহিত্যকর্ম মহাকাব্য নাকি কাব্যগ্রন্থ, তা ভালোভাবে জেনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0