প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b কুহেলিকা
c শেষ প্রশ্ন
d দোলনচাঁপা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেষ প্রশ্ন ১. কেন সঠিক: - শেষ প্রশ্ন উপন্যাসটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত নয়, এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - প্রশ্নে কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হবে শেষ প্রশ্ন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেষ প্রশ্ন উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং এটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি একাধারে কবিতা, গান, উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত আরেকটি রাজনৈতিক উপন্যাস যা তার সাহিত্যকর্মের ভিন্ন দিক প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। B) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, তাই এটি তার রচনা হিসেবে সঠিক। C) শেষ প্রশ্ন — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেষ প্রশ্ন উপন্যাসের নায়ক কমল ও নায়িকা সাবিত্রী, যা শরৎচন্দ্রের সাহিত্যকে চেনার সহজ উপায়। - নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সূত্র হলো অগ্নিবীণা ও দোলনচাঁপা তার অমর সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাস বা কাব্যগ্রন্থের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - কোনো লেখকের রচনা শনাক্ত করার সময় তার কাব্য, উপন্যাস ও নাটকের তালিকা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0