প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b কুহেলিকা
c পথের পাঁচালী
d দোলনচাঁপা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পথের পাঁচালী ১. কেন সঠিক: - পথের পাঁচালী গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের নয়, বরং এটি বিশ শতকের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অমর সৃষ্টি। - প্রশ্নটিতে কাজী নজরুল ইসলামের নয় এমন গ্রন্থটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, তাই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের ধারায় প্রকৃতিপ্রেম ও গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্রায়নের জন্য বিখ্যাত এক অনন্য সাহিত্যিক। - ১৯২৯ সালে প্রকাশিত পথের পাঁচালী উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের আঞ্চলিক ও গ্রামীণ উপন্যাসের এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপরাজিত ব্যাখ্যা: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং পথের পাঁচালী উপন্যাসের পরবর্তী সিক্যুয়েল বা ধারাবাহিক পর্ব। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: প্রকৃতির পটভূমিতে রচিত বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস, যা তার সাহিত্যিক পরিচয়ের আরেকটি উজ্জ্বল নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বাংলা কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। B) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। C) পথের পাঁচালী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত নয়, বরং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস। D) দোলনচাঁপা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের একটি বড় তালিকা রয়েছে, যার মধ্যে অগ্নিবীণা, দোলনচাঁপা ও কুহেলিকা অন্তর্ভুক্ত। - পথের পাঁচালী উপন্যাসটির কথা মনে রাখতে অপুর বিশ্বখ্যাত চরিত্র এবং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম একসঙ্গে স্মরণ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের প্রথম গ্রন্থ বা বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। - কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0