প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b ছায়ানট
c মালঞ্চ
d বুলবুল
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা-র অন্যতম বিখ্যাত ও সাড়া জাগানো কবিতা হলো মহরম। - এই কবিতায় কারবালার বিষাদময় ঘটনার সাথে মুসলিম উম্মাহর তৎকালীন পরাধীনতা ও জাগরণের বাণী প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। - এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা ও গান রয়েছে যার মধ্যে প্রলয়উল্লাস বিদ্রোহী খেয়াপারের তরণী ও মহরম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমে কবি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। উদাহরণ ২: প্রলয়উল্লাস কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতার মধ্য দিয়ে কবি বাঙালি সমাজে ব্রিটিশ বিরোধী চেতনার উন্মেষ ঘটাতে চেয়েছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর কারণ মহরম কবিতাটি এই কাব্যের প্রথম সংস্করণে অন্তর্ভুক্ত ছিল। B) ছায়ানট — এটি কবির একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে মহরম কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নেই। C) মালঞ্চ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) বুলবুল — এটি নজরুলের একটি ইসলামি গান ও গজল সংকলন যার সাথে মহরম কবিতার সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী ও বিপ্লবাত্মক চেতনার বিখ্যাত কবিতাগুলো মনে রাখতে অগ্নিবীণা নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে। - নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা থেকেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশসাল ১৯২২ এবং এর মোট কবিতার সংখ্যা বারোটি। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নে কবির প্রথম গ্রন্থ ও তার বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0