প্রশ্নের বর্ণনা

a শামসুর রহমান
b সুকান্ত ভট্টাচার্য
c সমর সেন
d জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'বোধ' কবিতার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত পঙ্‌ক্তি। - প্রশ্নটিতে প্রকৃতির রূপময় এবং শান্ত একটি দৃশ্য ফুটিয়ে তোলার জন্য জীবনানন্দ দাশের অনন্য কাব্যশৈলী ব্যবহৃত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংশ্লিষ্ট লেখক জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাঁকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি তাঁর 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার একটি অংশ হিসেবে বহুল পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা কবিতার আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান রূপকার জীবনানন্দ দাশ ১৯০৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: তাঁর এই জন্মসাল এবং আধুনিক কবিতার রূপকার পরিচয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। উদাহরণ ২: তাঁর রচিত 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে বাংলার নিসর্গ রূপ অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি থেকে শিক্ষার্থীরা তাঁর রচনার মূল থিম বা প্রকৃতিপ্রেম সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রধান নাগরিক কবি হলেও প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি তাঁর কোনো কবিতার নয়। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — ইনি কিশোর কবি ও দ্রোহের কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর লেখার ধরন ও বিষয়বস্তু ভিন্ন। C) সমর সেন — ইনি বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত প্রগতিশীল কবি হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি তাঁর নয়। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং উল্লিখিত পঙ্‌ক্তিটি এই কবিরই কবিতার অংশ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিশির এবং সন্ধ্যার মতো প্রকৃতির শান্ত রূপ জীবনানন্দ দাশের কবিতায় সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। - সন্ধ্যার স্নিগ্ধতা ও শিশিরের নীরবতা মনে রাখলে এই কবির নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম যেমন বনলতা সেন, মহাপৃথিবী ও বেলা অবেলা কালবেলা ভালো করে পড়তে হবে। - রূপসী বাংলার কবি কে, এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0