প্রশ্নের বর্ণনা

a বরিশাল জেলা
b ফরিদপর জেলা
c ঢাকা জেলা
d রাজশাহী জেলা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বরিশাল জেলা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার (বর্তমান বরিশাল জেলা) সদর রোড নিবাসী দাশ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর ত্রিমংশ দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তাকে বাংলা কাব্যের আধুনিকতার অন্যতম রূপকার ও নির্জনতম কবি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ঝরাপল্লব, ধূসর পান্ডুলিপি, বনলতা সেন ও মহাপৃথিবী অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তার জন্মভূমির প্রাকৃতিক রূপ ও বাংলার নিসর্গ নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের সর্বাধিক জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল জেলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি জীবনানন্দ দাশ এই জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। B) ফরিদপর জেলা — এই জেলাটি কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান নয়, তাই এটি ভুল। C) ঢাকা জেলা — এই জেলায় কবি জীবনানন্দ দাশ জন্মগ্রহণ করেননি, তাই এটি ভুল উত্তর। D) রাজশাহী জেলা — এই জেলাটি জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান মনে রাখতে 'বরিশালের কবি' হিসেবে তার পরিচিতি মাথায় রাখতে পারো। কারণ তার কবিতায় বরিশালের রূপ ও প্রকৃতি সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের জন্মস্থান ও জন্মসাল খুবcommonly আসে। জীবনানন্দ দাশের জন্মসাল ১৮৯৯ এবং মৃত্যু ১৯৫৪ সাল, যা মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0