প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রকৃতি ও মানুষ
b গ্রামীণ জীবন
c অরণ্য ও জীবজন্তু
d শহুরে জীবন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রকৃতি ও মানুষ ১. কেন সঠিক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হলো বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি এবং মানুষের জীবনযাত্রার নিবিড় সম্পর্ক। এই উপন্যাসে নিসর্গ প্রকৃতি ও মানবজীবন আলাদা কোনো সত্তা নয়, বরং একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক যিনি প্রকৃতিপ্রেমিক ঔপন্যাসিক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। 'পথের পাঁচালী' তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে অপু ও দুর্গার শৈশবের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ বাংলার ধূলিমাখা প্রকৃতি জীবন্ত হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপন্যাসের পটভূমি হিসেবে নিশিন্দাবন, বেলের বন এবং অপুর বাঁশঝাড়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া পথ। ব্যাখ্যা: এই উপাদানগুলো গ্রামীণ প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বর্ষাকালে গ্রামীণ বাংলার গ্রামীণ জনপদে নদীর জলচ্ছ্বাস এবং চারপাশের নিসর্গ দৃশ্য। ব্যাখ্যা: প্রকৃতির রূপ পরিবর্তন কীভাবে মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে, তার সুন্দর চিত্র ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রকৃতি ও মানুষ — এটি সঠিক কারণ উপন্যাসটিতে গ্রামীণ প্রকৃতি এবং মানুষের জীবন একে অপরের পরিপূরক হিসেবে এসেছে। B) গ্রামীণ জীবন — এটি আংশিক সত্য হলেও শুধুমাত্র মানুষের সামাজিক জীবন নয়, বরং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের মিথস্ক্রিয়া এর মূল আকর্ষণ। C) অরণ্য ও জীবজন্তু — এটি বিভূতিভূষণের 'আরণ্যক' উপন্যাসের মূল বিষয়, 'পথের পাঁচালী'র নয়। D) শহুরে জীবন — এই উপন্যাস সম্পূর্ণভাবে নিসর্গনির্ভর গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত, এখানে শহুরে জীবনের কোনো স্থান নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: বিভূতিভূষণ বললেই মনে রাখতে হবে নিসর্গ ও অরণ্যপ্রকৃতি এবং তার বিখ্যাত সৃষ্টি অপুর কথা। পথের পাঁচালী মানেই গ্রামবাংলার প্রকৃতি আর ছোট দুই ভাইবোনের জীবনকাহিনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পথের পাঁচালী উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলোর মূল বিষয়বস্তু প্রায়ই আলাদা করতে দেওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0