প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯৪৯ সালে
b ১৯৬০ সালে
c ১৯৫০ সালে
d ১৯৫৮ সালে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬০ সালে ১. কেন সঠিক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমির ঐতিহাসিক প্রকল্প 'বাংলা ভাষার অভিধান' সম্পাদনার মূল কাজ পরিচালনার জন্য ১৯৬০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। এই অভিধান প্রণয়ন প্রকল্পটি ছিল বাংলা ভাষার প্রমিত রূপ ও শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ ও প্রথিতযশা সাহিত্য গবেষক। তার নেতৃত্বে বাংলা ভাষার আঞ্চলিক শব্দ ও প্রমিত রূপ সংগ্রহ করে এই অভিধানের কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আঞ্চলিক শব্দ সংকলন। ব্যাখ্যা: ড. শহীদুল্লাহ বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষা নিয়ে গবেষণা করে অভিধানের ভিত্তি মজবুত করেছিলেন। উদাহরণ ২: আঞ্চলিক অভিধান প্রণয়ন। ব্যাখ্যা: তার গবেষণা বাংলা ভাষার বিবর্তন ও ইতিহাস জানতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৯ সালে — এই সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কিন্তু বাংলা একাডেমির এই প্রকল্পে যোগ দেননি। B) ১৯৬০ সালে — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৫০ সালে — এই সময়ে তিনি বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছিলেন। D) ১৯৫৮ সালে — এই সালে তিনি অন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রকল্প বা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমির অভিধান সম্পাদনার দায়িত্ব নেন। ছয় সংখ্যাটির সঙ্গে অভিধানের কাজ মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির প্রকাশনা ও অভিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। প্রতিষ্ঠানের সাল ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের যোগদানের সন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0