প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮৮৫-১৯৬৯
b ১৮৭৫-১৯৬৯
c ১৮৮৪-১৯৬৯
d ১৮৮৫-১৯৭০
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৮৫-১৯৬৯ ১. কেন সঠিক: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম ১৮৮৫ সালের ১০ই জুলাই এবং মৃত্যু ১৯৬৯ সালের ১৩ই জুলাই। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস এবং প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার ওপর তাঁর বিশাল অবদানের কারণে তাঁর জীবনকাল সম্পর্কিত এই তথ্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গবেষক, ভাষাবিদ ও পণ্ডিত। তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে ঐতিহাসিক গবেষণা পরিচালনা করেন এবং বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদের ভাষা যে মূলত বাংলা, তা প্রমাণে জোরালো ভূমিকা রাখেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত ব্যাখ্যা: এটি ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর রচিত বাংলা ভাষার ইতিহাস বিষয়ক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ আলাওল রচিত পদ্মাবতী গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন, যা মধ্যযুগীয় সাহিত্যের গবেষণায় অনন্য দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৮৫-১৯৬৯ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৮৮৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৬৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। B) ১৮৭৫-১৯৬৯ — এই অপশনের জন্মসালটি ভুল কারণ তিনি ১৮৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেননি। C) ১৮৮৪-১৯৬৯ — এই অপশনের জন্মসালটি ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মেলে না। D) ১৮৮৫-১৯৭০ — এই অপশনের মৃত্যুকালটি ভুল কারণ তিনি ১৯৭০ সালে মারা যাননি, বরং ১৯৬৯ সালে মারা যান। ৫ মনে রাখার টিপস: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জন্মসাল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি কাজী নজরুল ইসলামের (জন্ম ১৮৯৯) চৌদ্দ বছর আগের মানুষ এবং বিখ্যাত পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর (জন্ম ১৮৫৩) পরবর্তী সময়ের ব্যক্তিত্ব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষকদের জন্ম ও মৃত্যু সাল প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনকাল ছক তৈরি করে মুখস্থ করা উচিত। একইভাবে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ও মৃত্যু সালও বারবার পরীক্ষায় আসে, যা এই তথ্যের সাথে মিলিয়ে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0