প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b ফররূখ আহমদ
c ইসমাইল হোসেন সিরাজী
d সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইসমাইল হোসেন সিরাজী ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী কারণ তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় মুসলিম সমাজে দেশপ্রেম ও জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। - অনল প্রবাহ শব্দের আক্ষরিক অর্থ আগুনের স্রোত বা প্রতিবাদের বহ্নিশিখা, যা তৎকালীন সময়ে যুবসমাজকে উজ্জীবিত করার উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক ও রাজনীতিবিদ যিনি মূলত স্বদেশপ্রেমমূলক রচনার জন্য পরিচিত। - এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার এর বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের অভিযোগ আনে এবং গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত করে লেখকের কারাদণ্ড প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রায়নন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: তারাবাঈ ব্যাখ্যা: এটিও ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সেকালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও অনল প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয় বরং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা। B) ফররূখ আহমদ — তিনি রেনেসাঁস যুগের বিশিষ্ট ইসলামী ভাবধারার কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত গবেষক ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি এই বিশেষ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন অগ্নিঝরা বক্তা ও লেখক, তাই তার আগুনের মতো উদ্দীপনামূলক কাব্যগ্রন্থের নাম অনল প্রবাহ সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম রেনেসাঁসের সাহিত্যিক ও তাদের বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই অনল প্রবাহ গ্রন্থটির নাম ও রচয়িতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0