প্রশ্নের বর্ণনা

a অনল প্রবাহ
b রায়নন্দিনী
c অপূর্ব নৈবদ্য
d জেগে উঠ বিদ্রোহী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল প্রবাহ ১. কেন সঠিক: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর দেশপ্রেমমূলক ও জাগরণী কবিতার সংকলন 'অনল প্রবাহ' গ্রন্থটি ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। এই গ্রন্থটি প্রকাশের পর বাঙালি যুবসমাজে তীব্র দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক ও রাজনীতিবিদ। তাঁর সাহিত্যকর্মে স্বদেশপ্রেম, মুসলিম জাগরণ এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জোরালোভাবে ফুটে উঠেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের 'বিষের বাঁশি' ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী সুর তোলার কারণে কাজী নজরুল ইসলামের এই কাব্যগ্রন্থটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'আনন্দমঠ' ব্যাখ্যা: দেশপ্রেম ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসের ব্রিটিশ বিরোধী চেতনার জন্য ব্রিটিশ সরকার কঠোর নজরদারি রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনল প্রবাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। B) রায়নন্দিনী — এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেনি। C) অপূর্ব নৈবদ্য — এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কোনো বহুল আলোচিত বা বাজেয়াপ্ত হওয়া গ্রন্থ নয়। D) জেগে উঠ বিদ্রোহী — এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর মূল বাজেয়াপ্ত হওয়া কোনো গ্রন্থ বা সঠিক সাহিত্যকর্মের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সিরাজী সাহেবের আগুনঝরা কবিতা মানেই 'অনল প্রবাহ', যা ব্রিটিশদের অন্তরে ভয়ের আগুন জ্বেলেছিল এবং পরে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্রিটিশবিরোধী বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ হিসেবে 'অনল প্রবাহ' এবং লেখকের নাম প্রায়ই একসঙ্গে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছে এমন গ্রন্থের তালিকা থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই কমন আসে। অন্যান্য বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ যেমন নজরুলের 'ভাঙার গান' বা সিরাজীর 'অনল প্রবাহ' ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0