প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ১. কেন সঠিক: - ‘রায় নন্দিনী’ হলো উনিশ শতকের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর একটি জনপ্রিয় ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ঐতিহাসিক কাহিনীর সঙ্গে রোমান্টিক কল্পনার এক অপূর্ব মিশ্রণ ঘটানো হয়েছে, যা লেখকের অন্যতম সাহিত্যকীর্তি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁর অন্যতম অগ্রদূত এবং একই সঙ্গে কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে ‘রায় নন্দিনী’, ‘তারাবাঈ’ ও ‘ফিরোজা বেগম’ বিশেষভাবে সমাদৃত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘তারাবাঈ’ ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত আরেকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা রাজস্থানের ইতিহাস অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: ‘ফিরোজা বেগম’ ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি সামাজিক ও ঐতিহাসিক উপন্যাস, যেখানে তাঁর সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও ‘রায় নন্দিনী’ তাঁর রচনা নয়, বরং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে কপালকুণ্ডলা ও দুর্গেশনন্দিনী অন্যতম। B) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় কথাশিল্পী হলেও ‘রায় নন্দিনী’ তাঁর কোনো সাহিত্যকর্ম নয়। D) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — তিনি নারীজাগরণের অগ্রদূত ও প্রাবন্ধিক হলেও তাঁর পরিচিতি মূলত সুলতানার স্বপ্ন ও মতিচূর রচনার জন্য, ‘রায় নন্দিনী’ তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘সিরাজী’ সাহেবের প্রধান উপন্যাসগুলো মনে রাখার কৌশল হলো ‘সিরাজীর রায়ানন্দিনী তারাবাঈকে নিয়ে ফিরোজা বেগম পড়তে গেল’। এভাবে তাঁর তিনটি উপন্যাস একসঙ্গে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক উপন্যাসের রচয়ীতা হিসেবে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর নাম প্রায়ই আসে। - লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর রচিত ‘রায় নন্দিনী’ ও ‘তারাবাঈ’ উপন্যাস দুটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0