প্রশ্নের বর্ণনা

a ছোটগল্প
b নাটক
c উপন্যাস
d কাব্য
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছোটগল্প ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'মহেশ' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্প যা ১৯২৬ সালে রচিত ও প্রকাশিত হয়। - এই গল্পে গ্রামীণ সমাজের দরিদ্র কৃষক গফুর ও তার পালিত ষাঁড় মহেশের মধ্যকার গভীর ভালোবাসা এবং সমাজের নির্মমতার করুণ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। - সমাজজীবনের শোষণ, অবক্ষয় এবং মানুষের অন্তরের মানবিকতা তাঁর রচনার মূল বৈশিষ্ট্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছোটগল্প 'বিলাসী'। ব্যাখ্যা: এটি সমাজের জাতপাত ও অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদী প্রেমের ছোটগল্প। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছোটগল্প 'অভাগীর স্বর্গ'। ব্যাখ্যা: এটি নিম্নবর্গীয় মানুষের শেষ ইচ্ছার অবমূল্যায়ন ও সামাজিক বৈষম্যের এক মর্মস্পর্শী ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — এটি সঠিক কারণ আয়তনে সংক্ষিপ্ত, নির্দিষ্ট চরিত্র ও একটি কেন্দ্রীয় ভাব নিয়ে এটি রচিত। B) নাটক — মহেশ কোনো দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী নাটক নয়, এটি গদ্যে রচিত কথাসাহিত্য। C) উপন্যাস — মহেশ আকারে ছোট এবং এর পরিধি সীমিত হওয়ায় এটি উপন্যাস হতে পারে না। D) কাব্য — মহেশ পদ্যে রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা নয়, এটি একটি গদ্যধর্মী ছোটগল্প। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত ছোটগল্পগুলো মনে রাখতে 'মহেশ', 'বিলাসী' ও 'অভাগীর স্বর্গ' এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - এগুলো সবই গ্রামীণ দুঃখী মানুষের জীবন নিয়ে লেখা ছোটগল্প। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'মহেশ' কোন ধরণের রচনা বা এর রচয়িতা কে, তা প্রায়ই আসে। - শরৎচন্দ্রের ছোটগল্পগুলোর মূল সুর হলো মানবপ্রেম ও সামাজিক অনুশাসনের নির্মমতা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0