প্রশ্নের বর্ণনা

a সবুজপত্র
b বঙ্গদর্শন
c সাহিত্য
d ভারতী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভারতী ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো বড়দিদি। এটি ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং এই উপন্যাসের মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজগতে খ্যাতি লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক যিনি পল্লীপ্রকৃতি ও মানুষের মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন। ভারতী পত্রিকা ছিল জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা যেখানে তাঁর প্রথম সৃষ্টি প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেবদাস উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় ট্র্যাজেডিধর্মী উপন্যাস যা তাঁর প্রাথমিক সাহিত্যজীবনের অমর সৃষ্টি। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আত্মজীবনীমূলক ও বহুল পঠিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস যার চারটি খণ্ড রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজপত্র — এটি প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত চলিত রীতির পতাকাবাহী পত্রিকা যা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। B) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা। C) সাহিত্য — এটি উনিশ শতকের শেষভাগে প্রকাশিত একটি সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা ছিল যার সঙ্গে শরৎচন্দ্রের বড়দিদি প্রকাশের সম্পর্ক নেই। D) ভারতী — এটি সঠিক কারণ শরৎচন্দ্রের বড়দিদি এই পত্রিকাতেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের প্রথম বড় সাফল্য হলো বড়দিদি এবং তা প্রকাশিত হয়েছিল ভারতী পত্রিকায়। এভাবে মনে রাখতে পারো যে বড়দিদি নামের বড় সৃষ্টি প্রকাশ করেছিল ভারতী পত্রিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল তা জানতে চাওয়া হয়। শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি এবং এর প্রকাশকাল ১৯০৭ সাল মনে রাখা বাধ্যতামূলক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0