প্রশ্নের বর্ণনা

a ২টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৫টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪টি ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস 'শ্রীকান্ত' মোট চারটি খণ্ডে বিভক্ত। ১৯১৭ থেকে ১৯৩৩ সালের মধ্যে এর বিভিন্ন খণ্ড প্রকাশিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক যিনি অপরাজিত কথাশিল্পী নামে পরিচিত। 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক অনন্য সৃষ্টি যার প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে এবং চতুর্থ খণ্ড ১৯৩৩ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দেবদাস' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্র্যাজেডিধর্মী ছোট উপন্যাস যা ১৯১৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পল্লীসমাজ' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের গ্রামীণ সমাজের নানা অসঙ্গতি নিয়ে রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — শ্রীকান্ত উপন্যাসটি দুটি খণ্ডে সমাপ্ত হয়নি বরং এর পরিধি আরও বড় ছিল। B) ৩টি — বাংলা সাহিত্যে অনেক উপন্যাস তিন খণ্ডের হলেও শ্রীকান্ত মোট তিনটি খণ্ডে রচিত হয়নি। D) ৫টি — শ্রীকান্ত উপন্যাসের খণ্ডসংখ্যা পাঁচটি নয়, এর সঠিক সংখ্যা চারটি। ৫ মনে রাখার টিপস: শ্রীকান্ত উপন্যাসের খণ্ড সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন যে এর চারটি খণ্ড দীর্ঘ সময় ধরে প্রকাশিত হয়েছিল। লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ এই সৃষ্টিটি চার খণ্ডের একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনভিত্তিক রচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উপন্যাসের খণ্ড বা পর্ব সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের ক্ষেত্রে বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ বা রবীন্দ্রনাথের গোরা উপন্যাসের গঠন ও চরিত্র সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0